
ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাত থেকে বাঁচাতে বাগেরহাটে উপকূলের প্রায় সাত হাজার অধিবাসীকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ বাগেরহাটের শরণখোলা ও মংলা উপজেলায় ১৩ টি আশ্রয় কেন্দ্রে সাত হাজারেরও বেশি মানুষকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানান, মংলা বন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলেশ্বর নদী তীরবর্তী ও মংলার পশুর নদী সংলগ্ন এলাকার ১৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানীয় অধিবাসীদের স্থান দেওয়া হয়।
এছাড়া বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক স্থানীয়দের আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে কাজ শুরু করেছে। জেলায় ৮৪ টি মেডিক্যাল টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সেইসঙ্গে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার লোকজনকে দ্রুত আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বারবার জরুরি নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। জেলার সব ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ উপযোগী রাখতে সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সব কর্মকর্তা কর্মচারীর।
মংলা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বন্দরে অবস্থানরত বিদেশি ১১টি জাহাজসহ সকল প্রকার জলযানকে নিরাপদে রাখতে জাহাজের ক্যাপ্টেন, শিপিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৈরি আবহাওয়ার কারণে মংলা বন্দরে অবস্থানরত কয়লা, ক্লিংকার, যন্ত্রাংশ ও সারবাহী ১১টি মাদার ‘ভ্যাসেল’ থেকে মাল খালাসের কাজ দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: আজ স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে রোয়ানু
/এইচকে/এপিএইচ/








