মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গার পর এবার খুলনাতেও সাধারণ জনতার হাতে পুলিশ তুলে দিয়েছে লাঠি ও বাঁশি। জঙ্গি তৎপরতা ও নাশকতা দমনে জনসচেতনতা ও জন-সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে বুধবার এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। খুলনার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের উপস্থিতিতে এই উদ্যোগের আওতায় খুলনা দাকোপ উপজেলার সাধারণ জনতার হাতে পুলিশ লাঠি ও বাঁশি তুলে দেয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জঙ্গি তৎপরতা ও নাশকতা দমনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সজাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী কার্যক্রম খুলনার প্রতিটি উপজেলাতে আয়োজন করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় দাকোপে প্রথম সভাটি অনুষ্ঠিত হল। সভা শেষে জঙ্গি দমনে উপস্থিত জনতার হাতে লাঠি ও বাঁশি তুলে দেওয়া হয়।
দাকোপ থানার আয়োজনে বুধবার চালনা পৌরসভা মিলনায়তনে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সহ-পুলিশ সুপার আব্দুল কাদের বেগ। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন দাকোপ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ আবুল হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি দে।
সভায় বক্তারা বলেন, পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি জনগন যদি সজাগ থাকেন এবং জঙ্গি দমনে সহযোগিতা করেন তাহলে জঙ্গিদের যে কোনও নাশকতা ঠেকানো সম্ভব।
সভায় বক্তৃতা করেন চালনার পৌর মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, দাকোপের ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায়, বাজুয়ার রঘুনাথ রায়, পানখালীর শেখ আব্দুল কাদের, তিলডাংগার রনজিৎ কুমার মণ্ডল, সময় টিভির খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য খাদিজা আক্তার।
সভায় দাকোপের ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, উপজেলার সকল গ্রাম পুলিশ এবং বিভিন্ন স্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
সভাটি পরিচালনা করেন কামারখোলার ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী নেতা পঞ্চানন মণ্ডল।
আরও পড়ুন: কালিহাতীতে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ১
/টিএন/আপ-এআর/







