খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চোর সিন্ডিকেটের ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের কাছ থেকে চোরাইকৃত প্রায় ১শ’ মোবাইল সেট ও গ্রিল কাটার সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন সিন্ডিকেটের প্রধান সেন্টু শেখ (৩০), মো. খলিল (২৮), জামান হোসেন ( ১৬ ) ও শাহিন হাসান (২৯)।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আব্দুল্লাহ আরেফ বলেন, গত ১১ জুলাই গভীর রাতে দৌলতপুর রেলগেট সংগলগ্ন বিসমিল্লাহ মাকের্টের ইনছাফ টেলিকমে গ্রিল কেটে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় দোকান থেকে বিভিন্ন ব্রান্ডের শতাধিক মোবাইল সেট, ব্লু টুথ সেট, পাওয়ার ব্যাংক চুরি হয়।
১২ জুলাই দোকানের মালিক আ. রাজ্জাক অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দৌলতপুর থানার এসআই কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এ মামলার তদন্ত দায়িত্ব পান। তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন সোর্স ও ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি (আইএমইআই) ট্র্যাকিং করে প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এলাকার মাদ্রাসা রোড থেকে জামান হোসেনকে একটি মোবাইল সেটসহ আটক করেন। আটক ব্যক্তি ওই এলাকার মো. আলীর ছেলে। জামানের সহযোগিতায় রায়েরমহল এলাকার বাঙালি বাড়ির আ. মালেকের ছেলে শাহিন হাসানকে আটক করে পুলিশ।
এ দুজনকে জিজ্ঞাসমাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিরালা এলাকার ফুটপাতে থাকা খলিলের পুরনো মোবাইল সেট বিক্রির দোকান থেকে সিন্ডিকেটের প্রধান সেন্টু শেখকে গ্রেফতার করা হয়। সেন্টু বাগেরহাট কচুয়া থানার গজালিয়া থানার মৃত আকবর আলীর ছেলে। প্রায় ৮৬ ঘণ্টার অভিযানের পর সেন্টুর দেওয়া তথ্যে অনুযায়ী শনিবার মধ্য রাতে খালিশপুর আলমনগর এলাকার সেন্টুর ভাড়া করা একটি বাসা থেকে বিভিন্ন ব্রান্ডের নতুন ৬৫টি ও পুরাতন ৩০ মোবাইল সেট, একটি পাওয়ার ব্যাংক, দুইটি ব্লুটুথ এবং গ্রীলকাটার, ছুরি, সেলাই রেঞ্জ উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃত ৪ জনকে রবিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে। সোমবার আদালতে এই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য্য রয়েছে।
/এইচকে/








