সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় খুলনা মহানগর ও জেলা পুলিশ কঠোর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এজন্য ২৫টি চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় করা হয়েছে। এর মধ্যে মহানগরীতে ১৬টি এবং জেলায় ৯টি চেকপোস্ট রয়েছে। পাশাপাশি মন্দির, মসজিদ, আহলে হাদিস মসজিদ ও কাদিয়ানিদের উপাসনালয়সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। হোটেল ও বিদেশিদের কর্মস্থল এবং আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।
রবিবার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপত্র বিশেষ শাখার এডিসি শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মহানগরীর ১৬টি চেকপোস্ট গতিশীল করা হয়েছে। এসব স্থানে ২৪ ঘণ্টা তল্লাশিসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা জোরদার করা হয়েছে। মহানগরীর বৃহৎ তিনটি মন্দিরে সার্বক্ষণিক পুলিশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য মন্দিরগুলোতে ২/১ ঘণ্টা পর পর থানা পুলিশ পরিদর্শন করছে এবং প্রয়োজনীয় টহল দিচ্ছে।
খুলনা জেলার নবাগত পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্লা জানান, জেলার ৯টি থানা এলাকায় ৯টি চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি থানাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। গ্রামে গ্রামে লাঠি সরবরাহ করে ভিলেজ পার্টি করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে যেকোনও এলাকায় নতুন কোনও মুখ দেখা গেলে পুলিশ পর্যন্ত ওই তথ্য যেন আসে সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমনে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, খুলনা মহানগর ও জেলা কমিটির উদ্যোগে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা ও নতুন কমিটির পরিচিতি সভা রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। সভা শেষে সংসদ সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদী কমিটির সদস্যদের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার শপথ পাঠ করান।
আরও পড়ুন:
নড়াইলে জোড়া খুনের মামলায় ২৩ জনের যাবজ্জীবন
বান্দরবানে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
/বিটি/








