সুন্দরবনে বাঘ ও মানুষের সংঘাতে প্রতি বছর গড়ে ৩টি করে বাঘ মারা পড়ছে। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে প্রথম বাঘ গণনা শুরু হয় ১৯৮২ সালে। তখন পায়ের ছাপের মাধ্যমে ৪৫০টির মতো বাঘ থাকার কথা জানায় বনবিভাগ। একই পদ্ধতিতে ১৯৯২ সালে বাঘের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৫৯টিতে। আর সর্বশেষ ২০১৫ সালে ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে জানা যায়, সুন্দরবনে বাঘ আছে ১০৬টি। এভাবে কমতে থাকলে অচিরেই প্রাণীটি বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা আছে।
বুধবার খুলনার বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগ আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তরা এ তথ্য জানান। বাংলাদেশ টাইগার এ্যাকশন প্লান ও টাইগার রিকভারি প্রোগ্রাম হালনাগাদ করার লক্ষ্যে ওই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক জহির উদ্দিন আহমেদ সকালে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। তাতে বাঘ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মনিরুল হাসান খান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের ডিএফও নির্মল কুমার পাল, চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারি বনসংরক্ষক মেহেদীজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান প্রমুখ উপস্থিতি ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, ১৯৯৮ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঘের ৮ উপ-প্রজাতির সংখ্যা ছিল ৭৬০০টি। আর ২০১০ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩২০০টিতে।
/এআরএল/
আরও পড়ুন:
পাকিস্তান পার্লামেন্টে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকরের নিন্দা প্রস্তাব








