যশোরে দুর্বৃত্তে গুলিতে এজাজ হোসেন (৪০) নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মী নিহত হয়েছেন।সোমবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে যশোর সদরের খিতিবদিয়া এলাকায় পেছন থেকে তাকে গুলি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
নিহত এজাজ যশোর সদরের ঝাউদিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
নিহতের ছোট ভাই বাদল হোসেন জানান, ভোরে তার ভাই বারবাজার হাটে সবজি বিক্রি করতে যান। সেখান থেকে তিনি ও তাদের কাজের ছেলে আনতাজ মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে খিতিবদিয়া সরকারি পুকুরপাড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।
তিনি জানান, ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাকে দু’রাউন্ড গুলি করে। একটি তার মাথার পেছনে লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বাদল হোসেন দাবি করেন, বাঁওড় সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের এলাকার মোস্তফা মেম্বার, আবুল খায়েরের ছেলে সবুজ ও ফজের আলীর ছেলে মেহের আলী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে তিনি দাবি করেন। তার বড় ভাই শহিদুলকে একই কারণে হত্যা করা হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না জানান, নিহত এজাজ আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুর রশিদ জানান, এজাজের মাথার পেছনে একটি গুলি লাগে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
যোগাযোগ করা হলে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, তিনি ঘটনা শুনেছেন। সেখানে পুলিশের একটি ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তবে, কে বা কারা, কী কারণে তাকে হত্যা করেছে- এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, নিহতের বড় ভাই শহিদুল ইসলামও দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর স্থানীয় গ্যাড়াদ্দে-শালতে বাঁওড়ের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় সন্ধান মেলেনি জেএমবির অর্থদাতা আব্দুর রহমানের বাড়ির!
/বিটি/








