সুন্দরবনে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু ‘ছোট মজনু’ বাহিনীর প্রধান আব্দুর রউফ ওরফে রসুল নিহত হয়েছে। এ সময় র্যাবের ২ সদস্য আহত হয়।
র্যাব-৬ এর এডিশনাল এসপি এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, ভোর সাড়ে ৩টা দিকে সুন্দরবনের কলাবগী এলাকায় জংড়া, ভদ্রা খাল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় দস্যু বিরোধী অভিযান শুরু হয়। সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে র্যাবের অভিযান আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযানের এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলাবগীর আরবেনিয়া খাল এলাকায় দস্যুরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় র্যাব সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে দস্যুবাহিনী পিছু হঁটে পালিয়ে যায়। বন্দুকযুদ্ধের সময় র্যাব সদস্যরা ১৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পরে র্যাব ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দস্যু ‘ছোট মজনু’ বাহিনীর প্রধান আব্দুর রউফ ওরফে রসুলকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে উদ্ধার করে দাকোপ থানা কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রউফকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ১টি সিঙ্গেল ব্যারেল রাইফেল, রাইফেলের ৮ রাউন্ড গুলি, শর্ট গানের ৭ রাউন্ড গুলি, ৩ রাউন্ড গুলির খোসা, ১টি রাম দা, ১টি তলোয়ার, নগদ ৪১৪ টাকা উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই সকালে সুন্দরবনের ভদ্রা নদীর জংড়া খাল সংলগ্ন এলাকায় বন বিভাগের নিয়মিত টহল চলছিল। এ সময় একটি নৌকা থেকে দস্যুরা পেট্রোল দলের দিকে অতর্কিতে গুলি ছোড়ে। দস্যুদের ছোড়া ওই গুলিতে কলাবগী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় আহত হন। তারপর থেকে র্যাব ৬ এর সদস্যরা ওই এলাকায় নজরদারি জোরদার করে। এর অংশ হিসেবে রবিবার ভোর রাত থেকে র্যাব ওই এলাকায় অভিযান শুরু করেছিল।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: জঙ্গির খোঁজে এসির গুদামে অভিযান, মিললো জিহাদি বই







