কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চরম পরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এই ভোগান্তির প্রতিবাদে শনিবার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার। তবে এই বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীর জন্য নেই পর্যাপ্ত আবাসিক ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে সিংহভাগ শিক্ষার্থী থাকেন কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ জেলা শহরে। এই শিক্ষার্থীদের আনা নেওয়ার জন্য নিজস্ব বাস রয়েছে মাত্র ১৬টি। এর মধ্যে আবার সচল আছে ১১টি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাধ্য হয়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মালিক সমিতির দ্বারস্থ হতে হয়। তবে মালিক সমিতির বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ফিটনেসবিহীন গাড়ি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব গাড়িতে চলাচল করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা সকলেই চরম ক্ষুব্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থী তাসলিমা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা নেই। তাই ভাঙ্গা রাস্তায় প্রতিনিয়ত ২২-২৪ কিলোমিটার বাসের গেটে ঝুলে যাতায়াত করতে হয়।
এসকল ভোগান্তির প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক প্রায় ১০ মিনিট অবরোধ করে। পরে পরিবহন প্রশাসকের আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করে।
পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মো.আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রবিবার (১১ মার্চ) থেকে কুষ্টিয়া রুটে ৪টি এবং ঝিনাইদহ রুটে ২টি নতুন বাস বৃদ্ধির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা না থাকায় আমাদের পরিবহন ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে। পরিবহন সংকট সমাধানে দ্রুত ৪টি নিজস্ব বাস সংস্কার করা হচ্ছে।’








