নড়াইলের লোহাগড়া ও কালিয়ায় শনিবার সকালে ১০টি বাড়ি ভাঙচুর করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় শিশু ও নারীসহ সাতজন আহত হয়েছে। ঘটনা দুটি ঘটেছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের আমাদা গ্রামে এবং কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে আমাদা গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন কাশেম খান, আজাদ মোল্যা, মোক্তার শেখ, বাবুল খান ও মাসুদের বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা বাবুলের স্ত্রী বেদোনা বেগম (৩৫) মাসুমের মেয়ে মাহিমাকে (৪) পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীরা বাড়ি-ঘর ভাঙচুরের সময় ২ রাউন্ড গুলি ও ৫/৬টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বলে এক গ্রুপের নেতা কাশেম খান জানান। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম আমাদা গ্রামে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
অপরদিকে কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচ জন আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালের দিকে শিশুরা ফুটবল খেলার সময় মহসিন নামে এক ব্যক্তির সাইকেলে লাগলে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এর জের ধরে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় আনিচ শেখ ও শওকত মিনা সমর্থক তৈয়েবুর রহমান (৩২), ইউসুফ (৪৫), জাকারিয়া রহমান (৪৭),কোবাদ মোল্যা (৪৬) ও মুরাদ হোসেন (৩২) আহত হন।এ সময় আনিচ, মনিরুল,শাহজান, মাসুম ও ইউসুফের বাড়িঘর ভাঙচুর করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। আহতদের মধ্যে তিন জনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শমসের আলী জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখার সময় দুটি ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
আরও পড়ুন: খুলনায় পানি সঙ্কট: সাব-মার্সেবল মেশিন বসানোর হিড়িক








