কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগ নেতা পিয়াস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ২০ হাজার টাকা এবং যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামিদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরুপ কুমার গোস্বামী এ রায় দেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন– কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মোল্লা তেঘরিয়া গ্রামের কাশেম আলীর (মৃত) ছেলে টুটুল হোসেন (২৫)। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন– একই উপজেলার লাহিনী ক্যানালপাড়া এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩০) ও জুগিয়া কদমতলা এলাকার মুনতাজ প্রামাণিকের ছেলে মোশারফ হোসেন (৩০)।
হত্যার শিকার পিয়াস কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের বিলুপ্ত ঘোষিত কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
কুষ্টিয়া আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে ২০১৫ সালের ১০ জুলাই বিকালে হরিশংকরপুর এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে পিয়াসকে গুলি করে হত্যা করে টুটুল ও তার সহযোগীরা। পরে ওই দিন রাতে পিয়াসের বাবা আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে কুষ্টিয়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার বিচারক তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। পরে আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন- চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রনি কারাগারে








