সব সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় কোরবানি দেন। তবে ব্যতিক্রম মোংলা-রামপালের সরকার দলীয় এমপি হাবিবুন নাহার। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘পারিবারিকভাবে খুলনায় কোরবানি দেওয়া হয় তাই নির্বাচনি আসনে কোরবানি দেন না।’ তবে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা চান তিনি এলাকায় কোরবানি দিক।
তবে এ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন কেউ কেউ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোংলার আওয়ামী লীগের এক কর্মী জানান, এমপির উচিত ছিল এলাকায় অন্তত দু’টি গরু কোরবানি দেওয়া। তাহলে তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আরও গভীর হতো।
নির্বাচনি আসন রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এমপিকে কখনও তার নিজ নির্বাচনি আসনে পশু কোরবানি করতে দেখিনি। তবে দেওয়া উচিত। কোরবানি না দেওয়ায় দলীয় সাধারণ নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়ার কথা কী বলবো, কিছু বলার নাই।’
রামপাল এলাকার স্থানীয় সাংবাদিক সবুর রানা বলেন, ‘উনি তো (এমপি হাবিবুন নাহার) বিনা ভোটের এমপি। তাই জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা কম। এজন্যই হয়তো তিনি কোরবানি দেন না।’
এমপি হাবিবুন নাহার খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকর স্ত্রী। সিটি নির্বাচনের আগে আব্দুল খালেকের ছেড়ে দেওয়া বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি আসন বা আগামী নির্বাচন কোনও বিষয় না। আমরা কখনোই নির্বাচনি আসনে কোরবানি দেই না। পারিবারিকভাবে আমরা খুলনায় কোরবানি দিয়ে থাকি। এবারও তাই করছি।’
বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য বিদ্রোহী প্রার্থীসহ বিএনপি এবং জামায়াতের অন্তত এক ডজন প্রার্থী পশু কোরবানি দিচ্ছেন বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।








