বাগেরহাটের রামপালে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সজীব নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রামপাল উপজেলার সাপমারী-কৈর্গদাসকাঠি মৌজায় নির্মাণাধীন ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
নিহত সজীবের বাড়ি রামপাল উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ প্রাইভেট কোম্পানি যৌথভাবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করছে।
রামপাল থানার ওসি লুৎফর রহমান রাত পৌনে ১২টায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এই প্রতিবেদককে বলেন, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নির্মাণাধীন একটি সেডের লোহার রড ইলেকট্রিক মেশিনে কাটার সময় সজীব নামে এক শ্রমিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎতায়িত হন। এসময় আরও দুই শ্রমিক তাকে ছাড়াতে গেলে তারাও বিদ্যুৎতায়িত হন। পরে অন্যরা ওই মেশিনের সংযোগ বন্ধ করে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজীব নামে এক শ্রমিক রাতে মারা যান। তার মরদেহ খুলনার সোনাডাঙা মডেল থানা উদ্ধার করেছে এবং থানার একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে।
তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ কোম্পানির নিয়োগ করা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই সেডের নির্মাণ কাজ করছিল। নিহত সজীব ওই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা পুলিশকে এখনো পর্যন্ত কিছুই জানায়নি।
এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার হাতে নেই। আমি আহতদের চিকিৎসাসেবা নিয়ে খুলনায় ব্যস্ত আছি। তবে বিষয়টি খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক দেখছেন জানিয়ে ফোনের লাইনটি কেটে দেন।’







