একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মাগুরা থেকে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রধান দুই দলের প্রার্থীদের সম্পদ অন্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানা গেছে। মাগুরা-১ ও মাগুরা-২ আসনের প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
হলফনামা অনুসারে, মাগুরা-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাইফুজ্জামান শিখরের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ টাকা। নগদ, ব্যাংক, পোস্ট অফিস, শেয়ার ডিবেঞ্চারসহ সর্বমোট অর্থের পরিমান ২ কোটি ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৮৭০ টাকা। স্বর্ণ ও আসবাব ২৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া স্থাবর সম্পত্তি দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৭০ টাকার।
এ আসনে বিএনপি প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের মোট বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। নগদ এবং ব্যাংক অর্থ ৩৫ লাখ ১ হাজার ৯২৮ টাকা। স্থাবর সম্পত্তি ৮৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৬ টাকা।
মাগুরা-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী বীরেণ শিকদারের বার্ষিক আয় ৬৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩২২ টাকা। নগদ, ব্যাংক ও অন্যান্য অর্থ ১ কোটি ১২ লাখ ৭১ হাজার ১৫৭ টাকা। স্থাবর সম্পত্তি ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা।
এ আসনে বিএনপি প্রার্থী নিতাই রায় চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৮ লাখ ২১ হাজার ৯৪৫ টাকা। নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার পরিমাণ ১ কোটি ৭৮ লাখ ২ হাজার ২৩৪ টাকা। এ ছাড়া তিনি ৩ বিঘা কৃষিজ-অকৃষিজ জমির কথা উল্লেখ করলেও তার মূল্য উল্লেখ করেননি।
এ ছাড়া অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে সর্বাধিক বার্ষিক আয় ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা দেখিয়েছেন মাগুরা-১ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাসান সিরাজ সুজা। তার নগদ ও ব্যাংকের অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। দুই আসনে অন্যান্য প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ আরও কম।
তবে কোনও প্রার্থীর বিরুদ্ধে তাদের আয় ও সম্পদ নিয়ে কোনও ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে যশোর অঞ্চলের দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারি পরিচালক বিজিয়া খাতুন বলেন, ‘মাগুরার কোনও প্রার্থীর বিরুদ্ধে আমরা কোনও আর্থিক অসঙ্গতি বা তথ্য গোপনের অভিযোগ পাইনি। পেলেই তা খতিয়ে দেখবো।’








