যশোর-৩ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও এমপি কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘৩০ ডিসেম্বর আমাদের মহাপরীক্ষার দিন। আমাদের প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মীদের এই কয়টা দিন নিরলস পরিশ্রম করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো কোনও শক্তি নেই। আমরা যদি বাকি ৮টি দিন একটু পরিশ্রম করি, তাহলে যশোরে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত।’
শুক্রবার বেলা ১১টায় যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নৌকার পক্ষে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা তুলনা করে দেখুন, গত ১০ বছরে দেশে কী পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে। আমরা নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বিশাল একটা প্রকল্পের কাজ করছি। এই সেতুর কাজ সম্পন্ন হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর যশোর ও খুলনা হবে তৃতীয় অর্থনৈতিক জোন। যেখানে আমাদের লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের পথ খুলবে।’
কাজী নাবিল বলেন, ‘উন্নয়নের সেই ধারায় যশোর পিছিয়ে নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনা যশোরকে প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা দেন। এখানে গড়ে তোলা হয়েছে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক। গত ১০ বছরে যশোরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, যা বর্তমানে ৫০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে, আধুনিকায়ন করা হচ্ছে যশোর স্টেডিয়ামকে, সম্প্রসারিত হচ্ছে যশোর বিমানবন্দর। সবচেয়ে বড় কথা যশোরবাসীর প্রাণের দাবি ভৈরব নদ খননের কাজ করছি আমরা।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘যশোরে আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ। আমাদের জেলা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার যশোর সদরসহ ছয়টি আসনে নৌকার প্রার্থীদের জয়ী করতে নিরলস পরিশ্রম করছেন। যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টুও যশোর পৌর এলাকায় নৌকার পক্ষে দিনরাত ব্যাপক গণসংযোগ করছেন।’
তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়নের যে কাজটুকু অসমাপ্ত হয়েছে, সেগুলো সম্পন্ন করে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।’
নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের কাজ করায় আহ্বান জানান তিনি।
কাজী নাবিল আহমেদ যশোর শহরের টিবি ক্লিনিক মোড়, রেলবাজার, সিঅ্যান্ডবি মোড়, আশ্রম রোড, ইসহাক সড়ক, জমাদ্দারপাড়া, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হয়ে শংকরপুর এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মোহিত কুমার নাথ, মেহেদি হাসান মিন্টু, হাসান ইমাম লাল, সেলিম আহমেদ, মঈনুদ্দিন মিঠু, লুৎফুল কবীর বিজুসহ দলের বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ আজ জুমার নামাজ আদায় করেন খড়কির ঐতিহ্যবাহী পীরবাড়ির মসজিদে। তিনি সেখানে নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। এরপর তিনি পীরের কবর জিয়ারত করেন।
এছাড়া সকালে কাজী নাবিল আহমেদের পক্ষে গণসংযোগ করেছেন তার স্ত্রী ডা. মালিহা মান্নান আহমেদ। তিনি উপশহর ইউনিয়নের বিভিন্ন সেক্টর ও বাজারে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন উপশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু, মহিলা লীগ নেত্রী লাইজু জামানসহ উপশহর আওয়ামী লীগের নেতারা।







