মাগুরা বেলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যদিও ভবনটি বাইরে থেকে দেখতে রঙিন। মূলত ভবনটির অবস্থা খুবই নাজুক। যেকোনও সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান।
সরেজমিনে স্কুলটি পরিদর্শনে গেলে তখন প্রতিবেদকের সামনেই ছাদ থেকে খসে পড়ে পলেস্তার। ভবনের যেসব কক্ষে ক্লাস চলছে তার সবক’টিতেই ফাটল রয়েছে বা ছাদের পলেস্তার খসে পড়েছে।
বাকি বিল্লাহ হাসান নামে এক অভিভাবক বলে, ‘স্কুলের এই ভববনটি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। মাঝেমধ্যেই শুনি পলেস্তার খসে পড়েছে। আমরা খুবই আতঙ্কে থাকি।’
আরেক অভিভাবক আশরাফুল হাসান বলেন,‘আমার বাচ্চা স্কুলে যাওয়ার পর থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত চিন্তায় থাকি। এই চিন্তা আর ভালো লাগে না। ভবাছি আগামী বছর বাচ্চাকে অন্য কোথাও ভর্তি করবো।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাহানা কাকলী বলেন,‘আমাদের স্কুলে ২০০৯ সালে এলজিইডি একটি ভবন তৈরি করে দেয়। একতলা এই ভবনে আমাদের ছাত্রছাত্রীর স্থান সংকুলান হয় না। বাধ্য হয়েই পুরাতন ভবনে ক্লাস নিতে হয়। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ সেকথা আমরা জেলা শিক্ষা অফিসে জানিয়েছি। কিন্তু গত ১১ বছরে আমরা সংস্কারের জন্য অর্থ পাইনি। অনেকদিন ধরে শুনে আসছি টাকা বরাদ্দ হবে কিন্তু এখনো তার কোনও আলামত দেখতে পাই না।’
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সদরুল আলম বলেন,‘ছাদ থেকে কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে শুনেই আমি স্কুল পরিদর্শনের জন্য এখানে এসেছি। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আজই জানাবো।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি বলেন,‘আমরা বেলনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়েছি। এজন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দও হয়েছে। আশা করছি এ বছরের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’








