খুলনা জিআরপি থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকশী থেকে গঠিত তদন্ত টিম প্রতিবেদন জমা দিতে আরও ১৫ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছে। এছাড়া ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার (১৪ আগস্ট) আদালতে আবেদন করবে তারা।
রেলওয়ে পাকশী জেলা কর্তৃক গঠিত তদন্ত টিমের প্রধান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ঈদের কারণে সবাই ছুটিতে থাকায় তদন্ত কাজে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এজন্য আরও ১৫ দিন সময় চেয়ে রেলওয়ে পাকশী বরাবর আবেদন করা হয়েছে। আর তিনি বুধবার খুলনায় এসে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করবেন। প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে জিআরপি পুলিশের সদস্যরা ওই গৃবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করেন। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানা হাজতে ওসি উছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করে। ৩ আগস্ট তাকে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি আদালত ফুলতলায় পাঠানো হয়। ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানিকালে জিআরপি থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন ভিকটিম। এরপর আদালতের নির্দেশে ৫ আগস্ট তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের নির্দেশে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে রেলওয়ে সার্কেলের ডিআইও-১ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শ.ম. কামাল হোসেইন ও দর্শনা রেলওয়ে ইমিগ্রেশন ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) বাহারুল ইসলামকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি ৬ আগস্ট থেকে তদন্ত শুরু করে।
৮ আগস্ট পাকশী ও ঢাকা থেকে গঠিত পৃথক দু’টি তদন্ত টিমের সদস্যরা আদালতের অনুমতি নিয়ে জেল গেটে ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। আদালতের নির্দেশে ৯ আগস্ট ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে জিআরপি থানায় মামলা করা হয়।








