কুষ্টিয়ায় মানবপাচার মামলায় পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর সাজার আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সদর উপজেলার বটতৈল গ্রামের আকমল হোসেনের ছেলে সালাম ওরফে ডাগু ও তার সহোদর কানু শেখ, মৃত সাজাহান ফকিরের ছেলে কুরবান আলী ফকির ও কুরবান আলীর স্ত্রী মিনুরা খাতুন এবং কুরবান আলীর ছেলে মিজান। রায় ঘোষণার সময় চার আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও মিজান পলাতক ছিল।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের ভারপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বাপ্পী জানান, ২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে আসামিরা সদর উপজেলার সোনাডাঙ্গা গ্রামের শফি শেখের ছেলে আজিজুল হককে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে নিয়ে যায়। পরে তাকে ভারত হয়ে নেপালে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন আটক থাকার পর পাচারকারীরা ভিকটিম আজিজুলকে দিয়ে ফোন করিয়ে ৫ লাখ টাকা চায়। দাবি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করার পরও আজিজুলের আর কোনও সন্ধান পায়নি স্বজনরা। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর আজিজুলের বাবা আদালতে নালিশি মামলা করেন।
তিনি আরও জানান, এ মামলায় সাক্ষ্য শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন।








