চাঁদার দাবিতে সুন্দরবনে গাছের সঙ্গে বেঁধে দুই জেলেকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে বনদস্যুরা। বনদস্যু মহিদুল বাহিনীর সদস্যরা এ হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন- মারুফ এবং রফিক। তাদের বাড়ি মোংলা উপজেলার উলবুনিয়া গ্রামে।
আহতদের দুবলারচরের আলোরকোলে কোস্টগার্ডের টহল ফাঁড়িতে নিয়ে চিকিৎসা করানো হচ্ছে বলে জানান আলোরকোল কোস্টগার্ড টহল ফাঁড়ির চিফ পিটি অফিসার ফিরোজ আলম।
তিনি জানান, দস্যুদের কবল হতে মুক্তি পাওয়া জেলে মারুফ ও রফিককে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে বনবিভাগের টহল ফাঁড়িতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে গুরুতর আহত ওই জেলেকে আলোরকোল কোস্টগার্ড টহল স্টেশনে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ দস্যু গ্রুপটির সদস্যদের ধরতে কোস্টগার্ডের অভিযান চলছে বলেও তিনি জানান।
জেলে মহাজন মোংলার উলুবুনিয়ার লিটন জানান, বনদস্যু মহিদুল বাহিনীর ৬-৭ জন সদস্য ধারালো অস্ত্র-সস্ত্রসহ বুধবার বিকালে সুন্দরবনের মানিকখালী খালে কাঁকড়া আহরণকারী জেলে নৌকায় হানা দেয়। এ সময় চাঁদার দাবিতে নৌকা থেকে মারুফ নামে এক জেলেকে তুলে নেয় দস্যুরা। তাকে বনের ভেতর গাছরে সঙ্গে বেঁধে বেদম মারধরসহ শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। এ অবস্থায় দস্যুদের হাত থেকে তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছে রফিক নামে অপর এক জেলে। এ সময় দস্যু দলের সদস্যরা জেলে নৌকা থেকে বিপুল পরিমাণ কাঁকড়া লুট করে নেয়।
এদিকে ঘটনাস্থল বনের দুর্গম এলাকায় হওয়ায় দস্যুদের হামলার শিকার ওই জেলেকে এখনও মোংলায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।






