খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রবণ দেশ। দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে। দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষ যাতে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে তার জন্য সরকার জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করেছে।
মেয়র রবিবার (২২ নভেম্বর) নগর ভবন সম্মেলন কক্ষে ‘শিশুকেন্দ্রিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ইউনিসেফের সহযোগিতায় খুলনা সিটি করপোরেশন এ কর্মশালার আয়োজন করে।
তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, আমাদের দেশের মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। কারণ ১০ নম্বর বিপদ সংকেতের পরও মানুষ ঘর থেকে বের হতে চায় না। যার ফলে বাঁধ ভেঙে বেশি ক্ষতি হয় নারী ও শিশুর।
কেসিসি’র মেয়র আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাটি দিয়ে মুজিবকেল্লা নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সরকার সকল উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের আশ্রয়ণের জন্য মুজিবকেল্লা নির্মাণে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সবাই সচেতন হলে দুর্যোগে মৃত্যু ও সম্পদের ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালার সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেএমপি’র উপপুলিশ কমিশনার মো. এহসান শাহ, কেসিসি’র সচিব মো. আজমুল হক, চিফ প্ল্যানিং অফিসার মো. আবির-উল-জব্বার, রূপান্তরের প্রধান নির্বাহী স্বপন কুমার গুহ প্রমুখ। স্বাগত জানান ইউনিসেফের প্রতিনিধি সুফিয়া আক্তার। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পরামর্শক মলয় চাকী।
কর্মশালায় বাংলাদেশে নগর দুর্যোগ প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্রীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো, নগর দুর্যোগে শিশুদের ঝুঁকি ও বিপদাপন্নতা, শিশুর সুরক্ষা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা, শিশুকেন্দ্রিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং স্থানীয় নগর দুর্যোগ চিহ্নিতকরণ, প্রধান বিপদাপন্নতা চিহ্নিতকরণ, ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম নির্ধারণ ও পরিকল্পা প্রণয়ন, কিভাবে দুর্যোগকালীন নারী ও শিশু মৃত্যু কমানো যায় প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, এনজিও এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।







