খুলনার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। এই সময়ে তিন হাসপাতালে ১০ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে করোনায় সাত জন ও উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১০ জুলাই) খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আওতাভুক্ত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে ছয় জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে করোনায় তিন জন এবং উপসর্গে মারা গেছেন তিন জন। করোনায় মৃতরা হলেন- খুলনার ফুলতলার সামসুর রহমান (৫০), বাগেরহাটের রওশন আরা (৬৫) ও নড়াইলের মুজিবুর রহমান (৬৫)।
তিনি আরও জানান, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত এই হাসপাতালে ১৮৮ জন পজিটিভ ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে রেড জোনে ১১৫ জন, ইয়োলো জোনে ৩৩ জন, এইচডিইউতে ২০ জন ও আইসিইউতে ২০ জন। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৩১ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ২৫ জন।
খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসানুজ্জামান (৭০) নামে একজন মারা গেছেন। তার বাড়ি রূপসায়। হাসপাতালে ৭৬ জন করোনা রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৭ ও নারী ৩৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৫ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন আট জন।
গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় তিন জন মারা গেচেন।তারা হলেন- খুলনার পাইকগাছার আহম্মদ আলী গোলদার (৭৫), দাকোপের মোহাম্মদ আলী শেখ (৯০) ও চুয়াডাঙ্গার দামুরহুদার অনন্ত কুমার (৪০)। হাসপাতালে ১৩০ জন করোনা রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭ জন। আইসিইউতে আছেন সাত জন ও এইচডিইউতে ১১ জন।
শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু হয়নি। তবে নতুন করে পাঁচ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। করোনা রোগী ভর্তি আছেন মোট ৪৪ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন চার জন। আইসিইউতে ভর্তি আছেন ১০ জন।









