কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের অন্তত আট জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২১ মার্চ) উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের সান্দিয়ারা বাজার ও বশীগ্রাম ব্রিজ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজনের বেশকিছু ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রবিবার পান্টির ডাঁসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সুমন মিঞার প্যানেল জয়লাভ করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে নির্বাচনে বিজয়ী প্যানেলের সদস্য গোলাম নবী সোমবার সকালে সান্দিয়ারা বাজারে প্রতিপক্ষ মামুনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল ইসলাম দুলালকে কটূক্তি করেন। এ নিয়ে মামুনের সমর্থকরা গোলাম নবীকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে সুমন গ্রুপের এক সমর্থক মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে নিজ পক্ষের লোকদের সংঘর্ষে অংশ নিতে আহ্বান জানান। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সান্দিয়ারা বাজার ও বশীগ্রাম ব্রিজ এলাকায় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত আট জন আহত হন।
কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সোমবার স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মসজিদে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে অন্তত আট জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।









