ঝিনাইদহে ওয়ার্কসপ মালিকের হাতে নির্যাতিত শিশু টুটুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন। ঘটনার ২ দিনের মধ্যেই তার নির্দেশে গ্রেফতার হয়েছে নির্যাতনকারী মিজানুর রহমান। এছাড়াও বুধবার দুপুরে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তার হাতে তুলে দিয়েছেন কম্বল।
পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন সে সময় উপস্থিত সংবাদিকদের জানান, শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সব সময় কাজ করছে। আগামীতেও করবে। এ জেলায় কোনও ধরণের শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না। যদি কেউ এ ধরণের কর্মকাণ্ড করে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবো আমরা।
তিনি আরও বলেন, শিশু টুটুলের নির্যাতনের খবর পেয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছিলাম গ্রেফতারের জন্য। ঘটনার ২ দিনের মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরে হামদহ বাসস্ট্যান্ড এলাকার মেসার্স ফকরুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ নামে লোহার গ্রিলের দোকানে কাজ করতো সদর উপজেলার বদনপুর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে টুটুল (১২)। মালিক প্রায়ই তার ওপর নির্যাতন করে । সোমবার সারাদিন কাজ শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সে ছুটি পায়। নির্যাতন সইতে না পেরে বাড়ি যাওয়ার সময় সে আর ওই প্রতিষ্ঠানে কাজ করবে না বলে মালিক মিজানুরকে জানায়। তখন মিজানুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে টুটুলকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মেরে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশু নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
/জেবি/এপিএইচ/আপ-এআর/








