বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে নিখোঁজ হওয়া শিক্ষক বিভূতি মোহন সরকারকে (৫৩) উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টায় যশোরের চাঁচড়া মোড় এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তিনি চিকিৎসার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে ভারত যান। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিভূতি মোহন মাগুরা সদর থানার নান্দুয়ালী পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত নবকুমার সরকারের ছেলে। তিনি মাগুরা শ্রীপুর কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক।
তার স্ত্রী ববিতা রানী জানান, গত শুক্রবার বিকালে বিভূতি মোহনকে নিয়ে ভারত যাচ্ছিলেন তিনি। ওইদিন তারা বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষ করে ভারতে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে বিভূতি মোহনকে এক জায়গায় বসিয়ে রেখে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে করোনা পরীক্ষার ভ্যাকসিনের রিপোর্ট জমা দিতে যান ববিতা। ফিরে এসে দেখেন তার স্বামী নেই। পরে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় ওই শিক্ষক বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। এতে ববিতা রানিও ওই দেশের ইমিগ্রেশনের সিল বাতিল করে দেশে ফিরে আসেন। পরে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করেও দেখা যায় বিভূতি মোহন দেশে ফিরেছেন। এ সময় ববিতা বেনাপোলের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে তাকে না পেয়ে আত্মীয়দের খবর দেন। ওইদিন বিষয়টি বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরে শনিবার রাতে যশোর চাঁচড়া ফাঁড়ি পুলিশ তাকে যশোরের চাঁচড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করে। পরে সকালে স্ত্রী ববিতার কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিখোঁজ শিক্ষককে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসার জন্য ওই শিক্ষক আবারও স্ত্রীর সঙ্গে ভারতে গেছেন।









