খুলনায় গত সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ৭৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে মারা গেছেন সাত জন। আজ (২১ নভেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, সারা দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভব বাড়ছে। খুলনায় সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু শনাক্তের ব্যবস্থা রয়েছে। জেলার নয়টি উপজেলা ও খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় গতকাল পর্যন্ত মোট ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খুলনায় এ পর্যন্ত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের দুই লাখ ৫৫ হাজার ৫০৭ জন শিশুকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, ‘রাজ সকাল ৮টা পর্যন্ত এখানে ৮১ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হয়েছেন ১৩ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬ জন।’
এদিকে রবিবার (২০ নভেম্বর) জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে তার সম্মেলন কক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘খুলনাসহ সারা দেশে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ সময় মশার বংশ বিস্তাররোধে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানাই।’
খুলনায় শব্দ দূষণ বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শব্দ দূষণের কারণে মানুষের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। শব্দ দূষণরোধে পরিবেশ অধিদফতরসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কাজ করতে পারে। খুলনার বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে।’









