দীর্ঘ সাত বছর পর সোমবার (১২ ডিসেম্বর) চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হতে যাচ্ছে। সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণে ছেয়ে গেছে পুরো জেলা। নেতা নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। আগামীর নির্বাচনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ভাবছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার কমতি নেই। গোটা শহর সেজেছে বর্ণিল সাজে। পছন্দের নেতার ছবির সাথে রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণে পাল্টে গেছে রাস্তা-ঘাটের চিত্র। সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কয়েকজন নেতার যোগদানের কথা রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার জানান, সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে জেলার সব নেতা কাজ করছেন। এবারের সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হবে, এমনটাই প্রত্যাশা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম জানান, দল ক্ষমতায় আসলে সাধরণ নেতাদের মাঝে অনেক মান-অভিমান চলে আসে। এবারের সম্মেলনে আমি মনে করি চুয়াডাঙ্গায় আওয়ামী লীগের নেতাদের মাঝে যে মনোমানিল্য চলছে, সেটা দূর করে সবাই এক হয়ে কাজ করবেন।
আগামীর নির্বাচন ও রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বলিষ্ঠ নেতৃত্ব চান কাউন্সিলররা। সাংগঠনিক ভীত মজবুতে আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই উল্লেখ করে নেতাকর্মীরা বলছেন, এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে দল থেকে ছাঁটাই করা হবে অনুপ্রবেশকারী ও স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে।
সবশেষ ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সোমবারের সম্মেলনে ২১৮ জন কাউন্সিলরের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী তিন বছরের জন্য ঘোষণা হবে নতুন কমিটি।









