সম্প্রতি দেশে আসা ও কোয়ারেন্টিনে থাকা চীনা এক নাগরিকের নমুনায় করোনার নতুন উপধরন বিএফ -৭ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে নির্দেশনার বেশ কয়েকদিন পার হলেও চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্টে কোনও কার্যক্রম শুরু হয়নি। এই পথ দিয়ে ভারত থেকে প্রতিনিয়ত যাত্রী আসছে। এতে সংক্রমণের নতুন ধরন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সীমান্তবর্তী এই জেলার মানুষের মধ্যে।
বাংলাদেশে আগত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দর্শনা চেকপোস্টে হেলথ স্ক্রিনিং বুথ রয়েছে। নামমাত্র পরীক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে দুই দেশের মাঝে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার কার্যক্রম। পার্শ্ববর্তী ভারত ইমিগ্রেশনে নানা ধরনের সতর্কতা মানলেও বাংলাদেশে মানা হচ্ছে না কিছুই। এতে নতুন করে আবারও সংক্রমণ আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: করোনার নতুন উপধরন কতটা ভয়াবহ
ভারত থেকে দর্শনা চেকপোস্ট হয়ে আসা ভারতীয় যাত্রী বিমল কুন্ডু জানান, ভারতের গেদে চেকপোস্টে বিএফ-৭ এর সব পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে তাদের কোনোরকম পরীক্ষা না করেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিক আব্দুল সামাদ বলেন, ‘ভরতে চিকিৎসার জন্য এক মাস আগে কলকাতা গিয়েছিলাম। দর্শনা জয়নগর চেকপোস্ট হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর কয়েকটা কথা শুনেই ছেড়ে দেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষায় চেকপোস্টে দায়িত্বরত হেলথ স্ক্রিনিং বুথের সদস্যরা।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে করোনার নতুন উপধরন শনাক্ত
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এখনও প্রাতিষ্ঠানিক চিঠি আসেনি। তবে নির্দেশনা মানতে প্রস্তুত রয়েছেন তারা।
দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কোনও নির্দেশনা না পেলেও চেকপোস্টে মৌখিকভাবে বাড়তি সর্তকতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টের স্বাস্থ্য সহকারী শাহাজামাল জানান, করোনাভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্ট বিএফ-৭ সম্পর্কিত কোনও বার্তা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
করোনা সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ায় প্রায় তিন বছর আগেও প্রতিদিন গড়ে দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে দুই থেকে আড়াই হাজার যাত্রী যাওয়া আসা করতো। এখন প্রতিদিন মাত্র ১০০ থেকে দেড়শ ভারতীয় যাত্রী যাতায়াত করেন।









