যশোর সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার একটি বাঁওড়ের পাড় থেকে আব্দুর রহিম (৪৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার মৃত্যু নিয়ে স্বজন ও পুলিশের দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন তিনি। আর পুলিশ ধারণা করছে, মাছ চুরি করতে গিয়ে ধাওয়ায় স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হতে পারে।
শুক্রবার (৭ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহত আব্দুর রহিম পার্শ্ববর্তী ছোট বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত বারেক লস্করের ছেলে।
নিহতের স্বজনরা বলছেন, আব্দুর রহিম কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে তিনি প্রতিবেশী আব্দুল হাই ও ইস্রাফিলকে সঙ্গে নিয়ে কায়েতখালী বিলে মাছ ধরতে যান। এসময় ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়ায় তারা তিন জন তিন দিকে দৌড় দেন। আব্দুল হাই ও ইস্রাফিল নিজ বাড়িতে ফিরলেও আব্দুর রহিম নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আজ বেলা ১১টার দিকে আড়পাড়া বাঁওড় পাড়ে আব্দুর রহিমের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বাঁওড় পাড় থেকে আব্দুর রহিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মাছ চুরি করতে গিয়ে ধাওয়া খেয়ে স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্যে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।








