X
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
১২ ফাল্গুন ১৪৩০
২৫ নভেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা

খুলনা প্রতিনিধি
২৪ নভেম্বর ২০২৩, ১৯:২৭আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৩, ১৯:৩২

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২৫ নভেম্বর। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ৩৪ বছরে পদার্পণ করছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আপামর মানুষের নিরলস প্রচেষ্টা ও ত্যাগ।

খুবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্দোলন-সংগ্রামের পর ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করা হয়। ১৯৯০ সালের জুলাইয়ে জাতীয় সংসদে ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৯০’ পাস হয়, যার গেজেট প্রকাশ হয় ওই বছরের ৩১ জুলাই। এরপর ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে চারটি ডিসিপ্লিনে ৮০ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। ১৯৯১ সালের ৩০ আগস্ট প্রথম ওরিয়েন্টেশন এবং ৩১ আগস্ট ক্লাস শুরুর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের সূচনা হয়। একই বছরের ২৫ নভেম্বর শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। তাই প্রতিবছর এ দিনটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় একটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় হলেও, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এখানে জীববিজ্ঞান, বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা, কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, চারুকলাসহ অন্যান্য অন্যান্য বিষয়ের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুল বা অনুষদের সংখ্যা ৮টি এবং ডিসিপ্লিন বা বিভাগের সংখ্যা ২৯টি। শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি। যার মধ্যে ৩৪ জন বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন শিক্ষক আছেন পাঁচ শতাধিক, যার এক-তৃতীয়াংশই পিএইচডি-ধারী। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:১৪। ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাত ৫৪:৪৬, যা দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। কর্মকর্তা তিন শতাধিক ও কর্মচারীর সংখ্যা ৫০০। এ পর্যন্ত ছয়টি সমাবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ১৫ হাজার গ্র্যাজুয়েটকে অভিজ্ঞানপত্র দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবছর এ দিনটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে

খুবিতে গত ৩৩ বছরে এখানে কোনও ছাত্র সংঘর্ষ, হানাহানি বা রক্তপাত হয়নি। দেশে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সেশনজট, সন্ত্রাস ও রাজনীতিমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ক্যাম্পাসে ঢুকলেই মনে হবে এক শান্ত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। নেই কোনও কোলাহল ও শব্দদূষণ। তবে শিক্ষার্থীদের ৩২টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আছে। শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, রক্তদানে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, খেলাধুলার জন্য আন্তডিসিপ্লিন ক্রিকেট, ফুটবল টুর্নামেন্ট ছাড়াও অ্যাথলেট প্রতিযোগিতা হয়। রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ক্যাফেটেরিয়া ও লেকওয়ে। এ ছাড়া রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ও মন্দির।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নবম। খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গল্লামারী নামক স্থানে স্থাপিত হয়েছে এটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবনের নামকরণ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ তথা বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নামে। এর মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুউচ্চ ম্যুরাল। রয়েছে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবন, ড. সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবন, আচার্য জগদীশচন্দ্র একাডেমিক ভবন, কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেমিক ভবন। বঙ্গমাতা হলে রয়েছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ম্যুরাল। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের নামকরণ করা হয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের নামে।

১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স ক্রেডিট পদ্ধতি চালু হয়। দেশের মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিন, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিন এবং ঢাকার বাইরে স্থাপত্য ডিসিপ্লিন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন প্রথম চালু হয়। দেশের মধ্যে ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় হিসেবে চালু হয়। সুন্দরবন ও উপকূল নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের মধ্যে প্রথম স্থাপিত হয়েছে ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড স্টাডিজ অন দ্য সুন্দরবনস এন্ড কোস্টাল ইকোসিস্টেম (আইআইএসএসসিই)।

বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত হয়েছে দেশের প্রথম সয়েল আর্কাইভ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের মাটির ২০ ফুট গভীরে সুরম্যভাবে স্থাপিত এ আর্কাইভ। এখানে সংগৃহীত আছে দেশের পাঁচটি জোনের এক হাজার ৮৫৮টি প্লটের পাঁচ হাজারের বেশি মাটির নমুনা, যা সংরক্ষণ করা হয়েছে গবেষণার জন্য।

সরকার দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে ইতোমধ্যে হেকেপ প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়াও, শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল স্থাপন করেছে। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনায় বিশ্বমান অর্জনে জোর দেওয়া হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে রিসার্চ ফোকাস্ড ইউনিভার্সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

গবেষণার গুণগত মানোন্নয়নে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এ বছর আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিং, কিউএস র‌্যাঙ্কিং, টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান করে নিয়েছে। এ ছাড়া এ বছর ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ৯৫.৪৭ নম্বর পেয়ে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুউচ্চ ম্যুরাল

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীন ‘ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব-স্মার্ট ইউনিবেটর স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। গত ১৮ অক্টোবর সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি স্মার্ট কার্ড পাঞ্চ করে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ ৩৫ লাখ থেকে বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫.৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। শিক্ষকদের পাশাপাশি মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদেরও গবেষণায় উৎসাহিত করতে অনুদান দেওয়া হয়েছে। গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে নবীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রকাশনা যাতে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপ্তি ও পরিচিতি পায়, সে জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্টাডিজকে যুগোপযোগী করা হয়েছে। এর জন্য স্বতন্ত্র ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে এবং তাদের গবেষণা নিবন্ধ সেখানে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ভবনের ছাদে ২১৬টি সোলার প্যানেল বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা থেকে ১১৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আরও ৩০০ কিলোওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল ও অন্যান্য বড় স্থাপনার ছাদেও সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

খুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে এ অঞ্চলের মানুষের অপরিসীম অবদান ও ত্যাগ অনস্বীকার্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধারণ করেই এ বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে। ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে আস্থা অর্জন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এটা ধারণ করেই এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমান অর্জনের পথে এগিয়ে যাবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখার মেলবন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গরূপে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশ্বে আলো ছড়াবে, সে প্রত্যাশায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

দিবসের কর্মসূচি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য এ বছর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল সোয়া ১০টায় কালজয়ী মুজিব ও শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, পরে মুক্তমঞ্চে বিভাগ/ডিসিপ্লিনগুলোর গত বছরের অর্জন ও আগামী বছরের পরিকল্পনা উপস্থাপনার ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন, সন্ধ্যা ৬টায় গত বছরের কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থী ও সংগঠনগুলোকে সম্মাননা প্রদান, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও মন্দিরে প্রার্থনা। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের মেইন গেট, রাস্তা, শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসভবন, ক্যাফেটেরিয়া, লাইব্রেরি ভবন, একাডেমিক ভবন ও হলগুলো আলোকসজ্জা করা। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

/এনএআর/
সম্পর্কিত
ডলার সংকট: লোকসান কমাতে বিমানের নানা উদ্যোগ
শিক্ষাঙ্গনে কোনও বাণিজ্য হতে পারে না: নাছিম
সব ধর্মের মানুষকে মিলেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
ফাগুন সন্ধ্যায় তিন ভুল ভাঙালেন অপূর্ব
ফাগুন সন্ধ্যায় তিন ভুল ভাঙালেন অপূর্ব
১৬টি রুশ ড্রোন বিধ্বস্তের দাবি ইউক্রেনের
১৬টি রুশ ড্রোন বিধ্বস্তের দাবি ইউক্রেনের
অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘না’
অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘না’
সাত পেরিয়ে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন
সাত পেরিয়ে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন
সর্বাধিক পঠিত
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন
সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা ঢাকায়
সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা ঢাকায়
ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে যা শিখেছে পেন্টাগন
ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে যা শিখেছে পেন্টাগন
মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের বৈঠক
মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের বৈঠক
মার্কিন প্রতিনিধি দলের তৎপরতায় নজর রাখছে আ.লীগ
মার্কিন প্রতিনিধি দলের তৎপরতায় নজর রাখছে আ.লীগ