বাগেরহাটের মোংলায় তৃতীয় ধাপে আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২ মে) ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এ উপজেলায় নির্বাচনের ভোটের মাঠে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ে নেমেছেন ১৩ জন প্রার্থী।
এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে চার জন, ভাইস চেয়ারম্যান সাত জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়ন দাখিল করা সব প্রার্থীই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
বিএনপিসহ অন্য কোনও দলের প্রার্থী না থাকায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যেই লড়াই হবে। এর ফলে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের কোন্দলের আশঙ্কা করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
মোংলা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ উপজেলায় আগামী ২৯ মে ভোটের দিন ঠিক রেখে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ হাওলাদার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোংলা উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সিদ্দিকী, পৌর যুবলীগের সহসভাপতি মো. জামাল হেসেন, মোংলা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজুল ইসলাম সানি, জাতীয় শ্রমিক লীগের বুড়িডাঙ্গা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি জিহাদ সরদার টনি, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শেখ মো. আল আমিন, আওয়ামী লীগ সমর্থক সনেট হালদার ও ওবাইদুল ইসলাম এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও মোংলা পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ কামরুন্নাহার হাই ও আওয়ামী লীগ সমর্থক সোমা মণ্ডল ছায়া মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
মোংলা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এ উপজেলায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ৫ মে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ মে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ ১৩ মে এবং ভোট গ্রহণ ২৯ মে।
মোংলা উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নের মোট ৪৮টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট দেবেন এক লাখ ২০ হাজার ৫০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬০ হাজার ৫০৩, নারী ভোটার ৬০ হাজার ১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা তিন জন।









