যশোরের অভয়নগরে স্কুল চলাকালে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় সহায়তার অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জুলিয়া আফরিন ও দফতরি মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) রাতে নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার তাদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান জানান, গত ২৬ অক্টোবর বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী। এ সময় সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন বাথরুমে ঢুকে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে কাউকে কিছু জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি।
পুলিশ জানায়, পরদিন মেয়েটি স্কুলে যেতে না চাইলে তার মা কারণ জানতে চান। তখন সে শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।
ওসি (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর অভিভাবক ও স্বজনেরা ঘটনা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জুলিয়া আফরিনকে জানান। কিন্তু তিনি কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে দফতরি মোস্তাফিজুর রহমানের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের আটক করা হয়েছে।
পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেনকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান শেখ লুৎফর রহমান। দ্রুত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।