ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম, বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির কয়েক হাজার সিমসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে শহরের সানকিপাড়ায় নয়নমণি মার্কেট এলাকার ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- হুমায়ুন কবির (২৬), জহিরুল ইসলাম (২২) ও রুহুল আমিন (২০)।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম জানান, সানকিপাড়ার প্রবাসী সুরুজ মিয়ার বাসায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কোম্পানির নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত সিমসহ (বায়োমেট্রিক) অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা করে আসছে একটি চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাসার পঞ্চম তলায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভিওআইপি সরঞ্জাম, কয়েক হাজার সিম, পাঁচটি ডিভাইস, দুটি কম্পিউটার, একটি ল্যাপটপ, একটি বায়োমেট্রিক মেশিন, বিভিন্ন প্রকার কেবল, জাতীয় পরিচয়পত্র, বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির কাগজপত্রসহ কয়েক হাজার জালিয়াতির মাধ্যমে নিবন্ধিত সিম উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক সবাই একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। ওই অপারেটরের কয়েকজন ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলারও জালিয়াত চক্রের সঙ্গে জড়িত। বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে আগে থেকে চালু সিম। গতবছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়া চলে। সে অনুযায়ী, এখন আর আঙুলের ছাপ না দিয়ে নতুন সিম কেনা যাবে না।
টেলিযোগাযোগ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুন পর্যন্ত মোট ১১ কোটি ৬০ লাখের মতো সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৩ কোটি ২০ লাখের মতো সিম নিবন্ধিত হয়েছে। এ হিসাবে এখনও দেড় কোটির বেশি সিম নিবন্ধিত না হওয়ায় ঘোষণা অনুযায়ী সেগুলো বন্ধ রয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি দোকানে জাতীয় পরিচয়পত্র ও আঙুলের ছাপ ছাড়াই সিম বিক্রির তথ্য পাওয়ার পর অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ও পুলিশ।
/এসটি/এজে/








