ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বেলতলী নামক স্থানে বাসের ধাক্কায় যাত্রীবাহী পিকআপভ্যান (পালকি) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাত জনই একই পরিবারের সদস্য।
মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ যাত্রী। আহতরা পোশাক কারখানার শ্রমিক বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তারা ঈদের ছুটিতে ভোরে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে লেগুনাযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফুলপুর যাচ্ছিল। পুলিশ বাসটি আটক করেছে।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত বাকি ৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন- ফুলপুর উপজেলার মোকামিয়া গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে মোবারক হোসেন (৩২) ও তার স্ত্রী মিরানা (২৫), একই গ্রামের মিরাজ আলীর ছেলে খোকন (৩২) ও তার স্ত্রী শামসুন্নাহার (৩০), সুরুজ আলীর ছেলে আজিজুল ইসলাম (১৫), তার বোন আফরোজা (১৯) ও তার স্বামী জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল লতিফের ছেলে সাগর (২৫), হালুয়াঘাট উপজেলার বাউশি গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে শাহাদত (১৯)। অপর একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, সকালে গাজীপুরের চৌরাস্তা থেকে ছেড়ে আসা একটি অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই পিকআপভ্যানকে ঢাকা থেকে একটি যাত্রীবাহী রিজার্ভ বাস সদর উপজেলার বেলতলি নামকস্থানে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় পিকআপভ্যানটি মহাসড়কের পাশে খাদে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ ৫ জন নিহত হন। গুরুতর আহত ১৬ জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই নারীসহ আরও ৪ জন মারা যায়।
আহত যাত্রী রিয়াজ জানায়, চালক ঘুমিয়ে পড়ায় পিকআপভ্যানটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল।
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে মৃত ও ১৬ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
/এসএনএইচ/







