ময়মনসিংহ নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় কিডনি অপারেশনের সময় গর্ভের যমজ সন্তানসহ প্রসূতির মৃত্যুতে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই চিকিৎসক ও ক্লিনিক মালিকসহ ছয়জনের নামসহ ৫-৭ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন- পেশেন্ট কেয়ার হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ রফিক মিয়া (৩৫), অমিত (৩০), ডাক. আশরাফুল হক মোল্লা (৪০), ডা. আরিফ রব্বানী (৩১), মেহেদী (২৭) ও তারেক মিয়া (৩০) ।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিডনির পাথর অপারেশনের জন্য পেশেন্ট কেয়ার হাসপাতালে রেখা আক্তারকে (২০) ভর্তি করা হয়। কিডনির পাথর অপসারণ করার পর হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে রেখার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ময়মনসিংহে চোরখাই কমিউনিটি বেজড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথিমধ্যে রেখা ও তার পেটে থাকা দুই যমজ সন্তান মারা যায়। পরে মরদেহ নিয়ে পেশেন্ট কেয়ার হাসপাতালের সামনে এসে স্বজনরা বিক্ষোভ করেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই ক্লিনিক মালিক ও চিকিৎসক পলাতক রয়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, প্রসূতির স্বামী মাহবুব আলম মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করা হবে।









