বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম বলেছেন, ‘সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, প্রকৃত সাংবাদিকদের যথাযথ মূল্যায়ন, তাদের জীবন-জীবিকার জন্য সরকার নির্ধারিত ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না এই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধেও। এ জন্য প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে।’
বুধবার (১ নভেম্বর) রংপুর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত গণমাধ্যমে হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বিষয়ে দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম বলেন, ‘প্রতিটি পেশার জন্য নীতিমালা আছে যেমন ডাক্তারদের জন্য বিএমডিসি আছে অন্যান্য পেশার জন্য প্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু সাংবাদিকদের জন্য কোনও নীতিমালা দীর্ঘদিনেও তৈরি হয়নি। শুধু সতর্ক করা ছাড়া প্রেস কাউন্সিলের আর কোনও ক্ষমতা নেই। হলুদ সাংবাদিকতার লাগাম টেনে ধরার জন্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করে সংসদে দেওয়া হয়েছে। সংসদ অনুমোদন দিলে আইনে পরিণত হবে।’
তিনি বলেন, ‘সারা দেশে কতজন সাংবাদিক আছে এর পরিসংখ্যান নেই। আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের তালিকা চেয়েছি। এক বছরে ৩২টি জেলার তালিকা মিলেছে। বাকি ৩২টি জেলার তালিকা আজও মেলেনি। একইভাবে ঢাকার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় কতজন সাংবাদিক আছে তাদের তালিকাও চেয়ে মেলেনি। তবে আমরা আশাবাদী প্রেস কাউন্সিলর আইন পাস হলে হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধ করা সম্ভব হবে।’
এর আগে, আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন তিনি। সাংবাদিকতার নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। বক্তব্য দেন- জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি।









