ময়মনসিংহের ভালুকায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়েছে। পরে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গিয়ে বাসের দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি চারটি যানবাহনের অন্তত ২৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার ভরাডোবা এলাকার ক্লাবের বাজারে তাফরিদ কটন মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ত্রিশাল উপজেলার কাশিগঞ্জ এলাকার জালাল উদ্দিনের স্ত্রী মুশি আক্তার (৪০) ও ৬০ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধ। দুজনই বাসের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসটি শেরপুরের নালিতাবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা এলাকার ক্লাবের বাজারে তাফরিদ কটন মিলের সামনে আসতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই মুশি আক্তার নিহত ও আরও অন্তত ৩০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ছয় জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে ৬০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। বাকি পাঁচ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
ভালুকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালানো হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩০ জন। এর মধ্যে ছয় জন গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।’
ভালুকার ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুর্ঘটনায় এক নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত বৃদ্ধের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।’









