কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে ছয় গ্রাম প্লাবিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
০৯ মে ২০১৬, ১১:২১আপডেট : ০৯ মে ২০১৬, ১১:২৮

বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত

প্রবল জোয়ারের চাপে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোলায় কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ ভেঙে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেড় হাজার বিঘার মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

রবিবার দুপুরে আবারও উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা গ্রামের ৪নং পোল্ডারের কাছে কপোতাক্ষ নদের প্রায় ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা, হিজলিয়া ও শ্রীউলা ইউনিয়নের মাড়িয়ালা, হাজরাখালি, লাঙ্গলদাড়ি ও কলিামাখালি গ্রাম প্লাবিত হয়। 

স্থানীয় আব্দুর রাজ্জাক, সঞ্জয় দাশ, জহুরুল ইসলাম ও ছাইফুল্লাহসহ একাধিক গ্রামবাসী জানান, বাঁধটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ভোর রাতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে হঠাৎ করেই বাঁধ ধসে পড়ে।

তারা আরও জানান, শনিবার রাতে ভেঙে যাওয়ার পর সকাল থেকে স্থানীয় দুই ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এলাকার লোকজন বাঁশ ও মাটি দিয়ে বেড়িবাঁধটি সংস্কারের করে। দুপুরে আবারও তা ভেঙে গিয়ে গ্রামে পানি প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন: ধান ঘরে তোলার আগেই দুশ্চিন্তায় দিনাজপুরের কৃষকরা

প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেই প্রতাপনগর ইউনিয়নবাসীর এই দুর্দশা। বারবার বলার পরও পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি। 

শ্রীউলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল জানান, প্রতাপনাগর ইউনিয়নের চেয়ে শ্রীউলা ইউনিয়ন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে ভেঙে যায় স্থানীয়দের নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধটি ঠিক করলেও সেটি দুপুরে আবারও ভেঙে যায়। সোমবার সকালে আবারও স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে।

বাঁধটি দ্রুত সংস্কার করতে না পারলে পুইজালা, শ্রীউলা, আশাশুনি সদর ও নাকতাড়া গ্রাম প্লাবিত হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘ত্রাণ দরকার নেই। দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা দরকার।’

আশাশুনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ও আবুল হোসেন জানান, তিনি ঘটনা স্থলে আছেন। তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 আরও পড়ুন: ‘ভেতরে ভেতরে অনেক কাজ হচ্ছে’

/এসটি/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
একা একা অনুশীলন করলেন মেসি
একা একা অনুশীলন করলেন মেসি
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের