নীলফামারী থেকে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ক’ বগিটি প্রায় ছয় মাস ধরে নেই। কিন্তু তারপরও ওই বগির টিকেট বিক্রি হচ্ছে সিট নম্বরবিহীন। এ পরিস্থিতি আসা-যাওয়া উভয় দিকের স্টেশনেই। এতে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
শুক্রবার ভোরে নীলফামারী থেকে রাজশাহীর একাধিক যাত্রী জানান, তারা রাজশাহী যাওয়ার টিকেট পেয়েছেন। কিন্তু টিকিট অনুযায়ী ট্রেনের ‘ক’ বগি খুঁজে পাননি। ট্রেনের সঙ্গে বগিটি নেই। অথচ টিকেট প্রতি ২১০ টাকা ঠিকই বুঝে নেওয়া হয়েছে।
নীলফামারী রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছেন, বগিটি নেই জানিয়ে যাত্রীদের টিকেট দিতে হচ্ছে। এতে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।
জানা গেছে, সপ্তাহে রবিবার ছাড়া আন্তঃনগর বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভোর ৬টা ২০ মিনিটে নীলফামারী থেকে রাজশাহী অভিমুখে ছেড়ে যায়। আবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে রাজশাহী থেকে ছেড়ে এসে নীলফামারী পৌঁছায় রাত ৯টায়। এই ট্রেনে নীলফামারী থেকে রাজশাহী বা রাজশাহী থেকে নীলফামারী সরাসরি যাত্রীদের জন্য শোভন শ্রেণির মাত্র ২০টি ও প্রথম শ্রেণির ৩টি সিট বরাদ্দ। এ ছাড়া শোভন শ্রেণির ‘ক’ বগিতে আহসানগঞ্জের (আত্রাই) যাত্রীদের জন্য ১০টি, জয়পুরহাটের জন্য ২০টি ও আব্দুলপুরের জন্য ১০টি করে সিট বরাদ্দ রয়েছে।
সূত্র জানায় ‘ক’ বগিটি ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর মেরামতের নামে বরেন্দ্র ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর বগিটি মেরামতের জন্য পাঠানো হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা থেকে মেরামতের পর বগিটি ছাড়পত্র পায়। কিন্তু বগিটি আর বরেন্দ্র ট্রেনে পুনরায় সংযুক্ত করা হয়নি। বগিটি বিচ্ছিন্ন করার পর ইতোমধ্যে প্রায় ৬ মাস সময় অতিবাহিত হয়েছে। জানা গেছে, বগিটি অন্য একটি ট্রেনে সংযুক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন-
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নাগরিকতা দিতে ভারতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু
পাউবো’র মহাপরিচালকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ আদালতের
/এনএস/এমএসএম/








