শিবিরের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তেই ঝিনাইদহের হোমিও চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাক ও রাধামদন মঠের গোসাঁই (সেবায়েত) শ্যামানন্দ দাসকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন। রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, হোমিও চিকিৎসক ও গোসাঁই হত্যার ঘটনায় সবুজ খান (২২) ও শাহিন আলম (২৪) নামে দুই শিবির নেতা ঝিনাইদহ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের কাছ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
রবিবার বিকেলে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বেগম ফাহমিদা জাহাঙ্গীর ও কালীগঞ্জ আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর কবিরের আদালতে তারা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকালে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রাম থেকে কালীগঞ্জ উপজেলার বাকুলিয়া গ্রাম শিবিরের সাধারণ সম্পাদক সবুজ খান (২২) এবং শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে ও ঝিনাইদহ দক্ষিণ অংশের শিবিরের সভাপতি শাহিন আলমকে (২৪) আটক করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ কালীগঞ্জ শহরের নিমতলা এলাকার শিয়া মতবাদের হোমিও চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাককে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সর্বশেষ গত ১ জুলাই ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর কাস্টসাগরা গ্রামের স্থানীয় রাধামদন মঠের গোসাঁই (সেবায়েত) শ্যামানন্দ দাসকে একইভাবে হত্যা করা হয়।
/এআর/এমএনএইচ/








