দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা’র কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শনিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বন্দরের কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে ওই এলাকার উন্নয়ন শুরু হলো। এখন সেখানকার আর্থ-সামাজিক অবস্থায় পরিবর্তন আসবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চল সম্ভাবনার জায়গা। ওই এলাকার মানুষ আর গরিব থাকবে না। আর পায়রা কেবল সমুদ্রবন্দর থাকবে না, একসময় গভীর সমুদ্রবন্দর হবে।
বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বন্দরের জন্য জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়; সবাই যেন সঠিক দাম পায়। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজনের যেন বন্দরে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পায়রা শান্তির প্রতীক। এ কারণেই আমি বন্দরের নামকরণ করেছি পায়রা।’
পদ্মাসেতুর জন্য চীন থেকে ‘ফরচুন বার্ড’ জাহাজে করে আনা পাথর খালাসের মধ্য দিয়ে পায়রা সমুদ্রবন্দরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ভিডিও কনফারেন্সে পায়রা বন্দর থেকে যোগ দেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, নৌপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ আ স ম ফিরোজ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, স্থানীয় সরকার সচিব আব্দুল মালেক, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
পায়রা বন্দর প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন নৌপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ, স্থানীয় বালিয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ন মিয়া ও ফরচুন বার্ড জাহাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফেলেক্স গাও।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পায়রাবন্দর অধ্যাদেশ-২০১৩ সংসদে পাস হয়। একই বছরের ১৯ নভেম্বর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে বন্দরের ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
/এআরএল/
আরও পড়ুন:







