ঝিনাইদহের আদর্শপাড়ার বকুলতলা এলাকায় তানজিলা (২০) নামে এক গৃবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে তার লাশ নিয়ে মিছিল করেছে এলাকাবাসী। তিনি ঢাকার পপুলার হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুর পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ মিছিল করে এলাকাবাসী।
নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, তিন মাস আগে শহরতলীর পাগলাকানাই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল গণির মেয়ে তানজিলার সঙ্গে শহরের আদর্শপাড়ার বকুলতলা এলাকার বাকি বিল্লাহর ছেলে জুয়েলের বিয়ে হয়। আর স্বামী জুয়েল বেকার ছিলেন। প্রায়ই তানজিলা ও জুয়েলের মধ্যে টাকা-পয়সা নিয়ে কথা কাটাকাটি হতো। সোমবার বিকেলে এ নিয়ে জুয়েলসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তানজিলার তর্ক হয়। একপর্যায়ে জুয়েল ও তার পরিবারের লোকজন তানজিলাকে পিটিয়ে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে।
তানজিলার পিতা গণি মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘মেয়ের মৃত্যুর খবর তাদেরকে জানানো হয়নি। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর হাসপাতালে গিয়ে তানজিলার মরদেহ দেখতে পায়।’
এ সময় তানজিলার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি হরেন্দ্র নাথ সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তানজিলার লাশের ময়না তদন্ত সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
/এসএনএইচ/







