নড়াইলে গৃহপরিচারিকা নাজমিন নাহারকে (১৭) হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সদর হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে রবিবার বিকালে লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর গ্রামে নাজমিনের মৃত্যু হয়।
নাজমিনের মা ফরিদা বেগম অভিযোগ করে জানান, লোহাগড়ার জয়পুর এলাকায় মহিউদ্দীন শেখের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করত নাজমিন। প্রায় দুই মাস আগে ওই বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ নেয় সে। প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালেও মহিউদ্দীনের বাড়িতে কাজ করতে যায় নাজমিন। পরে বিকেল তিনটার দিকে তার (ফরিদা) কাছে খবর আসে নাজমিন মারা গেছে।
তিনি আরও জানান, মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় ওইদিন (রবিবার) রাত ৮টার দিকে গৃহকর্ত্রী লাকি বেগম তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও করেছিলেন। তবে মহিউদ্দীনের স্ত্রী লাকিসহ তাদের পরিবারের লোকজনের দাবি নাজমিন আত্মহত্যা করেছে।
নাজমিনের মামা মফিজুর ইসলাম বলেন, ‘মহিউদ্দীনের মেয়ের জামাই রাসেল ওই বাড়িতে থাকেন। প্রায়ই নেশা করে বাড়িতে ফিরে মাতলামি করতো সে। রবিবার নাজমিনকে সেই মারধর করে হত্যা করেছে। হত্যার পরে নাজমিনকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়।’
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে এটি হত্যা, নাকি আত্মহত্যা। এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
/এমও/








