মৌলভীবাজারের নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় নিহতদের লাশ শনাক্ত করতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকে তাদের পরিবারের সদস্যরা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছেছেন। মৌলভীবাজার পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ডাকা হয়েছিল জঙ্গি আস্তানায় আত্মঘাতীদের লাশ শনাক্ত করার জন্য। মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল সোমবার (৩ এপ্রিল) বাংলা ট্রিবিউনকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
মৌলভীবাজারের নাসিরপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের বিশেষায়িত সোয়াট টিমের নেতৃত্বে ‘অপারেশন হিট ব্যাক’ চালানো হয়। অভিযানে চার শিশু, দুই নারী ও এক পুরুষসহ মোট সাত জন আত্মঘাতী হয়। তারা হলো— লোকমান হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী শিরিনা আক্তার (৩৫) এবং এই দম্পতির পাঁচ মেয়ে আমেনা খাতুন (২০), সুমাইয়া (১২), মরিয়ম (১০), ফাতেমা (৭) খাতিজা (সাত মাস)। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এই পরিবারের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়।
জঙ্গি আস্তানায় আত্মঘাতী পরিবারটির সদস্যদের লাশ শনাক্ত করতে তাদের গ্রামের বাড়ি থেকে স্বজনদের ডাকা হয় মৌলভীবাজারে। পুলিশ ঘোড়াঘাট উপজেলার ডাঙ্গাগ্রামে গিয়ে সেই পরিবারকে অবহিত করেছে।
লোকমানের বাবা নুরুল আলম জানিয়েছেন, লোকমান ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামের বাইরে এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন।
মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দিনাজপুর থেকে একটি পরিবার লাশ শনাক্তের জন্য মৌলভাবাজারে এসে পৌঁছেছে। লাশগুলো মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অকিল উদ্দিনের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
আরও পড়ুন-
নাসিরপুরে ‘আত্মঘাতী’ সোহেলের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কথা আগেই জানতেন স্বজনরা!







