লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় সানিয়াজান গুচ্ছগ্রাম আবাসন উদ্বোধনের পর সুবিধাভোগী আফরোজা বেগম প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজকে ঈদের খুশির চেয়েও বেশি কিছু পেয়েছি। আমরা আপনার পাশে আছি। আপনি সারাজীবন প্রধানমন্ত্রী থাকেন, আমাদের সেবা করেন, এই কামনা করি।’
উপজেলার বাউরা ইউনিয়নে সানিয়াজান নদীর তীরে গুচ্ছগ্রাম আবাসন উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এভাবেই অনুভুতি ব্যক্ত করেন গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার মেয়ে ও বাউরা এলাকার পুত্রবধূ আফরোজা বেগম।
এ সময় আফরোজা বেগম যোগ করেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার বাবার বাড়িও গোপালগঞ্জ, আমার বাবার বাড়িও গোপালগঞ্জ। আপনিও এ অঞ্চলের পুত্রবধূ, আমিও এ অঞ্চলের পুত্রবধূ। এ সময় গণভবনে হাস্যরস সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী নিজেও হেসে ওঠেন।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান যখন যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের উন্নয়নে গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটতে শুরু করেন, ঠিক তখনই তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের উন্নয়ন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৭৫’ এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন তারা দেশের গৃহহীন মানুষের কথা চিন্তা না করে নিজের উন্নয়নে ব্যস্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে তার উত্তরসূরি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। ২০১৮ সালের মধ্যে দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না।’
এ গুচ্ছগ্রামে ৩৪টি পরিবারকে পুনবার্সন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে লালমনিরহাট প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবুল ফয়েজ মো.আলাউদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন এমপি, অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমি এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, পাটগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম নাজ প্রমুখ।
/বিএল/
আরও পড়ুন:
দেশের পরিচয় ও ভোটের অধিকার পেয়েছি, আমরা কৃতজ্ঞ: বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী








