কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ১০ জনের রোহিঙ্গা নারী-শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুপুরের আগে ১৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের গোদামপাড়া, ওয়াব্রাং, মৌলভীবাজার ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকা থেকে এসব মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এনিয়ে শুক্রবার ২৬ জনের লাশ উদ্ধার হলো। শুক্রবারের আগে আরও ২৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।এনিয়ে মোট লাশ উদ্ধার হলো ৪৯ জনের।
টেকনাফ হ্নীলা ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘শুক্রবার ভোর থেকে হ্নীলার নাফ নদীর গোদামপাড়া, ওয়াব্রাং, মৌলভীবাজার পয়েন্টে কিছু মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা আমাকে জানালে আমি বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে।
শুক্রবার দৃপুরে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘শুক্রবার সকালে নাফ নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৬ জন নারী ও শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে ৯ জন শিশু ও ৭ জন নারী রয়েছে। একজনকে শাহপরীর দ্বীপে থেকে উদ্ধার করা হয়। বিজিবি’র মাধ্যমে খবর পেয়ে টেকনাফ থানা থেকে পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে মৃতদেহগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহী গ্রুপের সঙ্গে সে দেশের সেনা বাহিনীর সহিংস ঘটনার পর সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দলে দলে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে থাকে। একইভাবে নাফ নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে জলসীমানা অতিক্রম করে রোহিঙ্গারা নৌকা নিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে।








