মা ইলিশ রক্ষায় ২১ দিনের অভয়াশ্রম সফল করতে ১ অক্টোবর থেকে চাঁদপুর নদী অঞ্চলসহ পদ্মা-মেঘনার ১০০ কিলোমিটার এলাকায় দিন-রাত চলছে টাস্কফোর্সের অভিযান। জেলা টাস্কফোর্সের চারটি টহল টিম অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারের সময় এ পর্যন্ত ২৭ জেলেকে আটকের পর জেল-জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা হচ্ছে জাল ও ইলিশ।
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, পূর্ণিমার সময় ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ আসে মিঠা পানিতে ডিম ছাড়তে। তাই এ সময়ে ডিমওয়ালা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ নজরদারি করছে। এমনকি জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মণ্ডল নিজেও রাতভর নদীতে অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সফিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আটককৃত ২৭ জেলের মধ্যে ২২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই জনকে এক বছরের কারাদণ্ড, চার জনকে ছয় মাস, ১০ জনকে দুই মাস, ছয় জনকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া তিন জনের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ কর্মকর্তা বলেন, চাঁদপুরের নদী অঞ্চল আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।
জেলা টাস্কফোর্সের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডল জানান, গত ১ অক্টোবর অভিযানের শুরু থেকে প্রতিদিন পালাক্রমে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নদীতে টহল দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাদেরকে মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ, জেলা পুলিশ এবং জনপ্রতিনিধিরা সহায়তা করছেন। জেলা টাস্কফোর্স চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ১০০ কিলোমিটার নদী এলাকার অভয়াশ্রম সব সময় টহল দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই অভিযান আগামী ২২ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। যে কোনও মূলেই মা ইলিশ রক্ষা করতে হবে। আর এক্ষেত্রে তিনি পুরো চাঁদপুরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন:
ইলিশ ধরায় ফরিদপুরে ৪১ জেলের কারাদণ্ড







