ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের জন্য কুমিল্লার দাউদকান্দি ব্রিজের টোল প্লাজার অনিয়মকে দায়ী করেছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা। তারা বলেন, টোলপ্লাজায় বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির কারণে প্রায়ই টোল প্লাজা এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়ে তা দীর্ঘস্থায়ী রুপ নিচ্ছে।
রবিবার (৮ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্যরা।
সভায় উপস্থিত দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন বলেন, ‘টোলপ্লাজায় মাইকিং করে প্রতি গাড়ি থেকে ২ হাজার টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে। এতে করে মহাসড়কে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি। এখানে ওজন বড় কথা নয়, টাকা পরিশোধ করতে পারলে গাড়ি ছাড়া হয়, নতুবা গাড়ি আটকে যানজট তৈরি করা হয়। এগুলো বন্ধে সরাসরি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। নতুবা কোনও দিনও এসব সমস্যার সমাধান হবে না।
এ প্রসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জেলা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রতিনিধিকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।
এদিকে জেলার মাদকের বিস্তার এবং তার ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, ব্রাক্ষণপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী, সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাবলু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম টুটুল, দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন, মেঘনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মোল্লা ও হোমনা পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম।
জনপ্রতিনিধিরা জানান, যে হারে জেলায় মাদকের বিস্তার লাভ করেছে তাতে জেলার প্রায় অর্ধেক তরুণ আজ বিপদগামী হয়ে গেছে। এখনই যদি মাদকের করালগ্রাস থেকে যুব সমাজকে ফিরিয়ে আনা না যায়, তাহলে শিগগিরই তা সমাজের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনবে।








