পিরোজপুরে পৃথক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। রবিবার (২৭ মে) দিবাগত রাতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের আট সদস্য আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিরোজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে উত্তর কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে মো.অহিদুজ্জামান ( ৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পিরোজপুর ডিবি পুলিশের একটি দল। তার দেওয়া তথ্য অনুসারে দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের টোনা ব্রিজ সংলগ্ন কৈবর্তখালী গ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে যায় পুলিশ। সেখানে গেলে অহিদুজ্জামানের সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় এবং অহিদুজ্জামানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী অহিদুজ্জামান পালাতে গেলে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১টি পাইপগান, ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি দা, ১৭৫ টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ গ্রাম গাঁজা, অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও মাদক সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে পুলিশ।
পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেএম মিজানুল হক জানান, নিহত মাদক ব্যবসায়ী মো. অহিদুজ্জামান স্বরুপকাঠী উপজেলার দক্ষিণ কৌরিখাড়া গ্রামের মৃত.আ. রহমানের পুত্র। তার বিরুদ্ধে মাদক, সন্ত্রাসী, অস্ত্র মামলাসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে ।
অন্যদিকে, রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মাদক উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মছুয়া এলাকার খায়ের গনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান চলাকালে মাদক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৩৬) ও তার সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সে সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মিজানুর রহমান মারা যায় ও অন্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানার ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে সেখান থেকে নিহত মিজানুর রহমান ও আহত ৬ পুলিশ সদস্যকে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে পুলিশ।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ছরোয়ার জানান, নিহত মিজানুর রহমান মঠবাড়িয়া আঞ্চলিক ডাকাতদের নেতা ও স্থানীয় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ৬ টি মামলা রয়েছে।







