বগুড়ায় জেএমবির শীর্ষ স্থানীয় পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছে দুটি বিদেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি, ৩টি অত্যাধুনিক বার্মিজ চাকু ও একজোড়া হ্যান্ডকাফ পাওয়া গেছে। বগুড়া ডিবি পুলিশ ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্টেলিজেন্স শাখার সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর রানীরহাটগামী সড়ক থেকে তাদের গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতার জঙ্গিরা হলেন- রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দাওয়া শাখার আমীর জামালপুর জেলা সদরের বড়ইকুডা গ্রামের মৃত লোকমান আলীর ছেলে শহিদুল্লাহ ওরফে মাসুম ওরফে ইয়ামিন ওরমে গোপাল ওরফে নাদিদ (৪১), রাজশাহী বিভাগের ইছাবা (সামরিক) শাখার কমান্ডার রাজশাহী আরএমপির বেলপুকুর উপজেলার ক্ষুদ জামিরা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে বুলবুল ওরফে সোহাগ (৩২), ইছাবা সদস্য রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার আস্করপুর গ্রামের উৎপল হাজরার ছেলে নবমুসলিম আতিকুর রহমান ওরফে সৈকত ওরফে সামিত (৩৩), ইছাবা সদস্য একই উপজেলার আশকোরপুরের মৃত আবু তালেবের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে দর্জি মিজান (৩৫) ও রাজশাহী বেলপুকুর উপজেলার ক্ষুদ জামিরা গ্রামের একরামুল হকের ছেলে মাসুদ রানা (৩১)।
বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ‘মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে একদল জঙ্গি বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর রানীরহাটগামী পাকা রাস্তার মোড়ে সুলতানের দোকানের সামনে কোনও ধরনের নাশকতায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়া ডিবি পুলিশ ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্টেলিজেন্স শাখার সদস্যরা সেখানে অভিযান চালিয়ে উল্লিখিত শীর্ষস্থানীয় পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছে দুটি বিদেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩টি অত্যাধুনিক বার্মিজ চাকু ও এক জোড়া হ্যান্ডকাফ পাওয়া গেছে।
দুপুরে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা তার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।
আরও পড়ুন- 'পুলিশের মধ্যেও মাদক চোরাকারবারে জড়িত কিছু লোক আছে'








