ফেনীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা: সন্দেহজনক ৬ আসামি গ্রেফতার

ফেনী প্রতিনিধি
০৮ এপ্রিল ২০১৯, ২০:১১আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৯, ২১:২৯

ফেনী

ফেনীর সোনাগাজিতে মাদ্রাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মাদ্রার এক প্রভাষকসহ ৬ জনকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন,‘গ্রেফতার ছয় জনকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।’   

ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার দিন শনিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আফছার হোসেন ও দগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রীর সহপাঠী আরিফুর রহমানকে এই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়াও সোমবার সকালে ওই মাদ্রাসার নাইট গার্ড মোহাম্মদ মোস্তফা, পিয়ন কাম দফতরি নুরুল আমীন। অন্যদিকে ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অধ্যক্ষের পক্ষ অবলম্বন করে মানবন্ধনে নেতৃত্বদানকারী আটক জসিম উদ্দিন ও সাঈদুল হককে এই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ’  

এই দিকে সোমবার মাদ্রাসা ছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টা ঘটনার তিনদিন পর আজ (৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে ভিকটিমের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বোরকা পরা মুখোশধারী চারজন এবং তাদের সহযোগীদের আসামি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছাত্রীটি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছে। সোমবার সকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, শনিবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যায় ওই ছাত্রী। এরপর কৌশলে তাকে পাশের ভবনের ছাদে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে ৪/৫ জন বোরকা পরিহিত ব্যক্তি ওই ছাত্রীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুর ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে তার স্বজনরা প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখান প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।

 

/জেবি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ