‘জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে’

Send
মাগুরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৩:২৫, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:২৬, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকার পাঁচ হাজার ২৯৫টি ডিজিটাল সেন্টার করেছে। সেখানে প্রতিবছর ৬০ লাখ মানুষ তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিচ্ছেন। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আইসিটি শিক্ষাকে পাঠ্যপুস্তকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রযুক্তি নির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে- শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভূমিকা শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মাগুরার শেখ কামাল ইনডোর স্টেডিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আক্তারুন্নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এনডিসি) হোসনে আরা বেগম, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) গৌরী শংকর ভট্টাচার্য্য, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (কারিগরি) ফাহমিদা আক্তার, আইটি বিভাগের বিজনেস স্ট্র্যাটেজিস্ট রাকিব আহমেদ, ডিজিকন টেকনোলজিস লিমিটেডের কর্মকর্তা ওয়াহিদ শরীফ, স্টার্টআপ বাংলাদেশের টিমলিডার নাঈম আশরাফী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তানজেল হোসেন খান, পৌর মেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, মাগুরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু প্রমুখ। এর আগে বেলা ১১টায় এ সেমিনারের উদ্বোধন হয়।
অনুষ্ঠানে গৌরী শংকর ভট্টাচার্য্য জানান, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নাটোর সিলেট, বরিশাল, মাগুরা ও নেত্রকোনাসহ দেশের সাত জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্পের আওতায় ৩৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের ৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২০ সালের জুন মাসে এ ভবনগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে এখানে প্রায় ১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেখানে প্রতিটি সেন্টারে গ্রাফিক্স ডিজাইন, অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি অ্যানিমেশন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ই-কমার্স কন্ডাক্টিং, ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টসহ আইটি’র ১০টি বিষয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। প্রতিটি সেন্টারে ২ হাজার ৫০০ জনসহ দেশের সাত সেন্টারে মোট ১৭ হাজার ৫০০ জন প্রশিক্ষণ লাভের সুযোগ পাবেন।
এতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জীবিকার ধারা বদলে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশকে মেধানির্ভর অর্থনীতির ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করতে দেশের ৭০ শতাংশ তরুণের কর্মসংস্থানের জন্য প্রযুক্তি নির্ভর কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

 

 

/ওআর/

লাইভ

টপ